সূরা আল নাস এর গুরুত্বপূর্ণ ফজিলত- 


বাংলা উচ্চারণ 

বিসমিল্লাহির রাহমা-নির রাহি-

 ১। কুল্ ঊযু বিরাব্বিন্না-স্

২। মালিকিন্না-স্ 
৩।
 ইলা-হি ন্না-স্ 
৪।
 মিন্ শাররিল ওয়াস্ ওয়া-সিল্ খান্না-সি 
৫।
 আল্লাযী ইউওয়াস্ওয়িসু ফী ছুদূরিন্না-স্।
৬।
 মিনাল্ জ্বিন্নাতি অন্না-স্।

(বাংলা
 অনুবাদ) 

পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহ নামে শুরু করছি। বল,‘আমি আশ্রয় চাই মানুষের রব, মানুষের অধিপতি,  মানুষের ইলাহ-এর কাছে, কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট থেকে,যে দ্রুত আত্ম গোপন করে।  যে মানুষের মনে কুমন্ত্রাণা দেয় জিন  মানুষ থেকে

 পবিত্র কোরআন শরীফের সর্বশেষ সূরা আল নাস। এই সূরার আয়াত সংখ্যা ৬, এতে রুকু আছে ১টি। সূরা আল নাস মদিনায় অবতীর্ণ হয়। 

হাদিস শরীফে সূরা নাস ও সূরা ফালাক বারবার পড়ার জন্যে তাগিদ দিয়েছে। এই দুই সূরাকে এক সঙ্গে মুআওবিযাতাইন বলা হয়। 

মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘এ দুইটি সূরা তোমরা পড়তে থাক। কেননা, এ দুইটি সূরার মতো কোনো সূরা তোমরা কোনো দিন পাবে না।’ (মুসলিম ৮১৪)

ফজর আর মাগরিবে এই দুই ওয়াক্তে ফরজ সালাতের পর সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস প্রতিটি সূরা তিন বার করে পড়া সুন্নত। অন্যান্য ফরজ সালাতের আদায় করে একবার করে এই তিন সূরা পড়তে হবে। (আবু দাউদ হা: ১৩৬৩)

সূরা নাস পড়লে শয়তানের অনিষ্ট ও যাদু থেকে হেফাজতে থাকা যায়। হাদিসে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি সকাল-সন্ধ্যা সূরা ইখলাস ও এই দুই সূরা ( সূরা ফালাক ও সূরা নাস) পড়বে সে সকল বিপদ-আপদ থেকে নিরাপদ থাকবে।’ (জামে তিরমিযী, হাদীস: ২৯০৩)

মহান আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে নেক আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।